Saturday, April 17, 2021
ত্রৈমাসিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা 'ঘরে বসে আঁকো' | Quarterly drawing competition 'Draw at home'.
April 17, 2021
🔜 চারুকলা শিল্প নিকেতন এর সকল শিক্ষার্থীদের অত্যান্ত আনন্দের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ত্রৈমাসিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা 'ঘরে বসে আঁকো' আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে চারুকলা'র সকল ছাত্রছাত্রীকে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করার জন্য আহবান করা হচ্ছে।
🔜 অনলাইন পোর্টালে ছবি আপলোড করার সময় নিজের নাম/ বয়স/ ক্লাস বা শ্রেণী/ চারুকলা'র কোন ব্যাচ বা শাখায় ক্লাস করছ/ ছবি আঁকার বিষয়: #কোরোনা ভাইরাস / মিডিয়া বা মাধ্যম অর্থাৎ কোন রঙ দিয়ে ছবি এঁকেছ লিখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ:-
☑️ Name: Jabir Singh [নিজের নাম]
☑️ Age: 10 [নিজের বয়স]
☑️ Class: 1st Year [অংকন ক্লাস]
☑️ Branch: Bali/ Shyamnagar
☑️ Theme: coronavirus
☑️ Media: Water Colors/ Pastel Colors
উপরোক্ত তথ্যগুলোর সাহায্য নিচের লিঙ্কে চিত্র আপলোড করতে হবে। মনে রাখবে ছবি আপলোড করার শেষ তারিখ ইং- 30th June 2021. ⤵️
http://m.me/info.csn.inMessenger Link
বিঃদ্রঃ 'ঘরে বসে আঁকো' চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর সঠিক মূল্যায়নের নিরিখে নির্বাচিত প্রথম স্থান অধিকারী ব্যক্তিকে অঙ্কন সামগ্রী পুরস্কৃত করা হবে এছাড়াও নিজেস্ব ছবিসহ 'CSN' -এর সোশ্যাল পেজে প্রকাশিত করা হবে।
Thursday, October 29, 2020
Sunday, August 16, 2020
মোনা লিসা (Mona Lisa) চিত্র সমন্ধে কি জান?What do you know about the Mona Lisa image?
August 16, 2020
মোনা লিসা (Mona Lisa) চিত্র সমন্ধে কি জান?
What do you know about the Mona Lisa image?
একটি বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্ম। ইতালীর শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৬ শতকে এই ছবিটি অঙ্কন করেন। ধারণা করা হয়, বিখ্যাত এই ছবিটি মোনা লিসার দ্বিতীয় পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ স্মরণে অঙ্কিত হয়। মোনা লিসার আসল নাম লা-জিয়োকোডা নামে একজন ধনী ভদ্রলোকের পত্নী। তখন তাঁর বয়স ছিল ২৫ বছর।
লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে একটি পাইন কাঠের টুকরোর ওপর তৈলচিত্রে মোনা লিসার এই ছবিটি আঁকেন। চিত্রটি দৈর্ঘ্য ৩ ফুট ও প্রস্থে ২ ছিল,ছবিতে মুখের হালকা আলো ছায়া পড়ে প্রয়োগ করে সূক্ষ্ম ও মাংসপেশির ডোলের উত্থান পতনের সুন্দর দক্ষতা দেখিয়েছেন। চিত্রকলার ইতিহাসে এই চিত্রকর্মটির মতো আর কোনটি এত আলোচিত ও বিখ্যাত হয়নি।
১৫১৬ সালে ইতালি থেকে ফ্রান্সে গেলে সেখানে রাজা ফ্রান্সিস্কো চিত্রটির জন্য বহু স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করলেও শিল্পী কোনোভাবেই ছবি দিতে রাজি হননি। তিনি যেখানে যেতেন এই ছবিটি সঙ্গে বহন করে নিয়ে যেতেন। ১৯২১ সালের লুভার থেকে ২ বার চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনাও সামনে আসে এবং দুই বারেই ইতালিতে পাওয়া যায়।
২মে ১৫১৯ সালে ফ্রান্সে, মহান শিল্পীর জীবনাবসান হওয়ার পর রাজা তাঁর অধিকারেই ছবিটা রেখে দেন। বর্তমানে শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। খুব মজার বিষয় হলো ল্যুভ জাদুঘরের তথ্যমতে (সংগৃহিত) প্রায় ৮০% পর্যটক শুধু মোনালিসার চিত্রটি দেখার জন্য আসে। এই ছবিটির জন্য শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি জগৎ বিখ্যাত হয়ে আছেন।
বর্তমান সময়ের বিখ্যাত লেখক ড্যান ব্রাউন এর রচয়িত বিখ্যাত বই 'দ্য দা ভিঞ্চি কোড' প্রকাশিত হবার পর মোনা লিসা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা'র পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে এবং মানুষের মনে নতুন রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।
- চারুকলা শিল্প নিকেতন
Saturday, July 25, 2020
বাংলার গ্রামীন সমাজে পটচিত্র সমন্ধে সংক্ষিপ্ত আলোচনা কর।
July 25, 2020
আলোচ্য বিষয়সমূহ: পটচিত্র কি ও উদ্ভবের কারণ, পটচিত্রের জেলাভিত্তিক প্রকারভেদ পটচিত্র এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ভূমিকা কি?
সংজ্ঞা: কাপড়ের উপর আঠা মিশ্রিত প্রলেপ দেওয়ার পর কোন কাহিনী বা গল্প অবলম্বন করে যে সব চিত্র অঙ্কন করা হত তা পটচিত্র নামে পরিচিত। পটচিত্রে বিভিন্ন দেশজ রঙের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় দেখা যায়; যেমন: ইটের গুঁড়া, কাজল, লাল সিঁদুর, সাদা খড়ি, আলতা, কাঠ-কয়লা ইত্যাদি। এই পট কথাটি সংস্কৃত ও ঐতিহ্য'র বাহক প্রাচীন কাল থেকেই উদ্ভব।
প্রধানত দুই রকম পটচিত্র দেখা যায়। প্রথমত চৌকোপট আর দ্বিতীয়টি জড়ানো বা গুটানো পট। এছাড়াও বিষয়বৈচিত্র অনুসারে সাধারণভাবে পটকে ছয়ভাগে বিভক্ত করা যায়। সেগুলি হল - বিষয়নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক, ধমীয়, সামাজীক এবং পরীবেশগত তৎকালীন সময় ধর্ম্ম কাহিনী প্রচার করতে এইরূপ চিত্রাঙ্কন করা হত। যেমন - চকসুদন পট, যমপট, সাহেবপট, কালিঘাটপট (বিখ্যাত: পশ্চিমবঙ্গ), গাজীপট (বিখ্যাত: বাংলাদেশ), সত্যপীড়েরপট, পাবুজীপট, চৈতন্যদেব, বৈষম্য ধর্মের কাহিনী, কৃষ্ণলীলার বিষয়বস্তু ইত্যাদি বাঁকুড়া পুরুলিয়ার পটচিত্রকে পাটদার বলে। বীরভূম, মেদনীপুরের পটচিত্র যারা করেন তাদের বলে চিত্রকর। আবার বাংলাতে একে পটুয়া বলে থাকে। বীরভূমের পটুয়া পাঞ্চকল্যাণ পটে: রামসীতা, কালি, কাত্যায়নী ও নিমাই সন্ন্যাস দেখা যায় এছাড়া চক্ষুদান পট, যমপট, গাজিপট, পীরপট ও হিন্দুপুরাণ পট রয়েছে।
আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে পট শিল্পের নামকরণ ভিন্ন হলেও আধুনিক যুগে পটচিত্রের পরিবর্তন ধারা লক্ষ্য করা যায়। সময়সাপেক্ষ যুগের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিকতার ছোঁয়ার পটচিত্র আজ বিলুপ্তের মুখে। তবে একথা হলফ করে বলাই যায়, বাংলার পটশিল্প ব্যবস্থায় কিছুটা হলেও তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থায় পটচিত্র অর্থনৈতিক যোগান দেয়।।
- চারুকলা শিল্প নিকেতন
Friday, May 1, 2020
ভারতীয় চিত্রশিল্পী রাজা রবিবর্মা'র জীবনী।
May 01, 2020
ভারতবর্ষ ব্রিটিশ দখলে আসার পর ভারতীয় চিত্রকলায় ইউরোপীয় রীতি-পদ্ধতির প্রভাব পড়তে শুরু করে। সেই সময়ের রাজা রবিবর্মাই ইউরোপীয় রীতি-পদ্ধতির সবচেয়ে বেশি পারদর্শী হয়ে ওঠেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী ছিলেন তিনিই।
১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯শে এপ্রিল কেরলের রাজধানী ত্রিবান্দ্রামের ২৪ মাইল দূরে কিলিয়াঙ্গা শহরে এক জায়গীরদার পরিবারে তার জন্ম হয়। জায়গীদির পরিবার হিসাবে ত্রিবাঙ্কুর রাজ পরিবারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ত্রিবাঙ্কুর রাজা ১৩ বছেরর রবি বর্মার অংকন প্রতিভা দেখে মুগ্ধ হন। এই সময় তিনি প্রাচীন ভারতীয় পদ্ধতিতে জল রঙের ছবি আঁকতেন।
১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে আঠারো বছরের রবিবর্মার সঙ্গে ত্রিবাঙ্কুর রাজা তাঁর বড় রানীর ছোট বোনের বিবাহ দেন। রাজ পরিবারের রীতি অনুযায়ী রাজ পরিবারের সব স্ত্রী পুরুষকেই রাজা বা রানী নামে ডাকা হতো। সেই দিক থেকেই রবিবর্মা রাজা রবি বর্মা নামে পরিচিত হন। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে রাজা ইংরাজ চিত্রকর থিয়োডর জেনসনকে তার অঙ্কন শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত করেন। জেনসন রবিবর্মা ইউরোপীয় পদ্ধতিতে তেল রঙে ছবি আঁকা এবং মডেল বসিয়ে লাইভ স্টাডি শুরু করেন। ১৯৭৩-১৯৮০ সাল পর্যন্ত পরপর তিনবার তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে স্বর্ণপদক পান। তার মধ্যে মাদ্রাজ ফাইন আর্টস সোসাইটিতে তিনি গর্ভনরের সোনার মেডেল পান। ত্রিবাঙ্কুর রাজা রবিবর্মা ও গাইকোয়াড মহারাজার কাছেও স্বর্ণপদক লাভ করেন। এই সময়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও তিনি লাভ করেন। চিকাগো ইন্টার্নেশনাল এগজিবিশনে তিনি ভারতীয় জীবনের আঠারোখানি চিত্র পাঠিয়ে প্রশংসা লাভ করেন।
১৮৭৫ সালে যুবরাজ সপ্তম এডওয়ার্ড ভারত ভ্রমনে এসে ত্রিবাঙ্কুর রাজার কাছ থেকে রবিবর্মার আঁকা কয়েকখানি চিত্র উপহার পান। ছবিগুলো দেখে তিনি এত মুগ্ধ হন যে চিত্রকরকে সম্মুখের ডেকে তিনি তার প্রশংসা করেন। গায়কোয়াড় এর নতুন রাজপ্রাসাদে সাজানোর জন্য তিনি রামায়ণ-মহাভারতের ১৪টি তৈলচিত্র অঙ্কন করেন - যা তাকে খ্যাতির উচ্চ শিখরে স্থাপন করে। এই সমস্ত চিত্রের প্রতিলিপির জন্য দাবি ও তার বিপুল চাহিদা দেখে রবিবর্মা লিথো প্রেস করে তার ছবি ছাপতে থাকেন। যদিও ছাপা ছবিগুলোর সঙ্গে চিত্রের বর্ণসঙ্গতি থাকতো না। কারণ তখন ব্লক বা ছাপা ততটা উন্নত ছিল না। বাংলা রামায়ণ মহাভারত বইতে রবি বর্মার অনেক চিত্র এখন বর্তমান।
তাঁর বিখ্যাত ছবিগুলোর মধ্যে নায়ার লেডি এক্ট টয়লেট, শকুন্তলার চিত্রলিখন, সীতার পরীক্ষা, রামের সমুদ্র শাসন, হরধনু ভঙ্গ, পক্ষচ্ছেদ, কৌরব সভায় শ্রীকৃষ্ণ, লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণপতি, দশরথের শোক, গঙ্গাবতরণ বিখ্যাত। স্বামী বিবেকানন্দ ও ভগিনী নিবেদিতার সংস্পর্শে তিনি আসেন। এবং রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীক চিহ্নটি তাঁর একটি শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক।
যুগস্রষ্টা এই শিল্পীর শৈল্পিক প্রথম বিদেশী প্রবর্তন রূপে তার কিছু ত্রুটি থাকা ছিল খুবই স্বাভাবিক। তার প্রাণী চিত্রগুলি ত্রুটিপূর্ণ চিত্রগুলি পশ্চাদপট রচনায় তিনি উন্নতমানের পরিচয় দেননি এবং তার উজ্জ্বল রঙের ছবিগুলো সৌন্দর্য এর ব্যাঘাত ঘটিয়েছেন। ১৯০৬ সালে ২রা অক্টোবর এই জনপ্রিয় শিল্পীর মৃত্যু হয়।
Subscribe to:
Posts
(
Atom
)





